নিহত সিলেটী পারভিন মসজিদে বিদেশিদের কোরআন তেলাওয়াত করে শোনাতেন

নিহত সিলেটী পারভিন মসজিদে বিদেশিদের কোরআন তেলাওয়াত করে শোনাতেন Image

নিহত সিলেটী পারভিন মসজিদে বিদেশিদের কোরআন তেলাওয়াত করে শোনাতেন

নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি হুসনে আরা পারভীন ও তাঁর স্বামী কোরআন শরিফ ইংরেজিতে অনুবাদ করতে পারতেন। তাঁরা দুজন মসজিদে গিয়ে ইংরেজি ভাষাভাষীদের কোরআন শরিফ তিলাওয়াত করে শোনাতেন। নারীদের জন্য সংরক্ষিত ছিল মসজিদের একটি অংশ । পুরুষেরা নামাজ আদায় করতেন অপর অংশে । ঘটনার সময় হুসনে আরা নারীদের জন্য সংরক্ষিত কক্ষে ছিলেন। সন্ত্রাসী হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ফরিদ উদ্দিন বর্তমানে ক্রাইস্টচার্চ এলাকায় আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে থাকলেও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। সেখানকার পুলিশ তাঁর সঙ্গে কথাবার্তা বলতে দিচ্ছে না।

নিহত সিলেটী পারভিন মসজিদে বিদেশিদের কোরআন তেলাওয়াত করে শোনাতেন Image
নিহত হুসনে আরা পারভীন

মসজিদে গোলাগুলির খবর শুনে হুসনে আরা স্বামী ফরিদ উদ্দিনকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন । হুসনে আরার বাবার বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালহাটা গ্রামে।

আরো পড়ুন : নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলা-নিহত ড. সামাদ ৫ বছর আগে পাড়ি জমান নিউজিল্যান্ডে

পরিবার ও স্বজন সূত্রে জানা যায়, হুসনে আরারা তিন বোন ও দুই ভাই। স্বামী ফরিদ উদ্দিনের বাড়ি বিশ্বনাথ উপজেলার চকগ্রামে। হুসনে আরা-ফরিদ দম্পতির শিফা আহমদ নামে ১৬ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান আছে। ১৯৯৪ সালে পারিবারিকভাবে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর তাঁরা নিউজিল্যান্ডে চলে যান। ক্রাইস্টচার্চ এলাকায় বসবাস করতেন। সর্বশেষ ২০০৯ সালে তাঁরা দেশে এসেছিলেন।

নিউজিল্যান্ডের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হুসনে আরার মরদেহ এখনো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেনি। তবে নিহত হওয়ার বিষয়টি নিউজিল্যান্ডে অবস্থানকারী তাঁর স্বজনদের জানানো হয়েছে।‘মসজিদের বাইরে গুলির শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন মুসল্লি সম্ভবত হুইল চেয়ারসহ ফরিদ উদ্দিনকে বের করে নিয়ে গেছেন, ফলে তিনি বেঁচে গেছেন।

আরো পড়ুন :  লিনউড মসজিদে হামলা সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে